ইনস্টাগ্রামে ছবি দেওয়ার পরই আসছে বিয়ের প্রস্তাব

ইনস্টাগ্রামে ছবি দেওয়ার পরই আসছে বিয়ের প্রস্তাব

680
0
SHARE

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দিতে চায় সবাই। কিন্তু কেউ কেউ আবার ছবি দিতে গিয়ে পড়েন বিপদে। তেমনি বিপদে পড়া একজন হলেন ব্রাজিলের হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা মারি। কাজের বাইরে তিনি আর কী কী করেন তারই কিছু ছবি তিনি দিয়েছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে। বিপত্তির শুরু সেখানেই। কারণ এরপরই তার কাছে আসতে থাকে প্রেমের প্রস্তাব; এমনকি বিয়ের প্রস্তাবও।

ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়াব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক দেশ বলা হয়। দেশটিতে বছরে গড়ে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ খুন হয়। সেখানকার নারী পুলিশ কর্মকর্তা মারি যে অনেকটা সাহসী তার কিছু ঝলক দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইলে। পুলিশ হওয়ার খুব একটা স্বপ্ন ছিল না মারির। কিন্তু নিজ গোত্রের মানুষদের অপরাধীদের হাত থেকে বাঁচাতে বেছে নিয়েছেন এ পেশা।

৩০ বছর বয়সী পুলিশ কর্মকর্তা মারি এরই মধ্যে ইন্টারনেট সেনসেশন হয়ে উঠেছেন। কিছুদিন আগেই পুলিশের পোশাকে নিজের কাজের ছবি পোস্ট করেছিলেন। কাজের বাইরে তিনি কীভাবে সময় কাটান, কী কী করেন, ছবিগুলো তা নিয়েই। এসব সেই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা মাত্রই শুরু হয় উৎপাত। তার কাছে আসতে থাকে প্রেমের প্রস্তাব। কেউ কেউ দিয়ে বসেন বিয়ের প্রস্তাবও।

ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়াচাকরির পরীক্ষাও ভালো ফল করেন মারি। দেড় লাখ চাকরি প্রার্থীর মধ্যে সেরা ১০-এ ছিলেন মারি। চাকরি পাওয়ার পর সন্ত্রাস, ট্রাক চুরি ও গ্যাং ক্রাইমের জন্য কুখ্যাত রিও ডি জেনেরিওর দার্তা হাইওয়ে এলাকায় পেস্টিং দেওয়া হয় মারিকে। অপরাধীদের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করাই তার কাজ। দুঃসাহসিক চাকরি বেশ উপভোগ করছেন ব্রাজিলিয়ান এই সুন্দরী। কাজের বাইরে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে পছন্দ করেন তিনি। সম্প্রতি এমনই এক ভ্রমণে গিয়ে তোলেন কিছু খোলামেলা ছবি। আর সেই ছবি তুলে তা পোস্ট করেন ইনস্টাগ্রামে। সাহসিকতা আর সৌন্দর্যের কারণেই হয়তো তাঁকে অনেক বেশি পছন্দ করেন। আর এর জেরেই শতাধিক বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়াঅপরাধ জগতের সঙ্গে ওঠাবসা তার। তাই ইনস্টাগ্রামে যে তার হাজারো অনুসারী হতে পারে তা প্রায় অবিশ্বাস্য লাগে মারির কাছে। তবে কাজের বাইরে সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে পছন্দ করেন। নিজেকে ‘সমুদ্র সৈকতের লেডি’ মনে করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

মারি বলেন, ‘আমি যেখানে কাজ করি তা সবচেয়ে অপরাধপ্রবণ এলাকা। তাই আমাদের সশস্ত্র দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। হাইওয়েতে লড়তে হয় চুরি, খুন, ধর্ষণ এবং অস্ত্র ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে।’ তিনি বলেন, ঘুরে বেড়ানো ও ব্যায়ামের মাধ্যমে তার মন ও শরীরকে সুস্থ রাখতে পছন্দ করেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY