রানাতু্ঙ্গার কাছে ‘প্রমাণ’ চাইলেন গম্ভীর

রানাতু্ঙ্গার কাছে ‘প্রমাণ’ চাইলেন গম্ভীর

164
0
SHARE

অভিযোগটা বেশ গুরুতরই। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনাল শ্রীলঙ্কা ইচ্ছা করেই হেরেছে কি না—এমন সন্দেহ সাবেক লঙ্কান অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গার। ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় শ্রীলঙ্কাকে ৯৬ সালে বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক সরাসরি পাতানো ম্যাচের কথা না বললেও সে ম্যাচে শ্রীলঙ্কার হারে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। ম্যাচটি নিয়ে তদন্তেরও দাবি তাঁর কণ্ঠে। তবে রানাতুঙ্গার এমন সন্দেহের তীব্র সমালোচনা করেছেন মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সে ফাইনালে ভারতীয় দলের দুই সদস্য গৌতম গম্ভীর ও আশিস নেহরা। তাঁরা দুজনই রানাতুঙ্গার এই সন্দেহকে ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ বলছেন।
গম্ভীর রানাতুঙ্গার কাছ থেকে এমন অভিযোগের প্রমাণ চেয়েছেন, ‘আমি সত্যিই অর্জুনা রানাতুঙ্গার এমন অভিযোগে হতভম্ব। এটি রানাতুঙ্গার মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে আসা খুবই গুরুতর অভিযোগ। আমার মনে হয়, পুরো বিষয়টা পরিষ্কার করার জন্য রানাতুঙ্গার উচিত তাঁর অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ হাজির করা।’
রানাতুঙ্গা তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি সে সময় (২০১১ বিশ্বকাপের সময়) ধারাভাষ্য দিতে ভারতে ছিলাম। খুব মন খারাপ হলো শ্রীলঙ্কা হেরে যাওয়ার পর। একই সঙ্গে কিছু সন্দেহও দানা বাঁধল আমার মধ্যে। আমাদের উচিত ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কী হয়েছিল, সেটি তদন্ত করে দেখা। আমি এখনই সবকিছু বলতে চাই না। তবে অবশ্যই এ ব্যাপারে পরে বলব। পুরো বিষয়টিরই তদন্ত হওয়া উচিত।’
নেহরা অবশ্য গম্ভীরের মতো ব্যাপারটা অত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে চান না। ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম এই সদস্য বলেন, ‘রানাতুঙ্গার মন্তব্য এত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কোনো কারণ নেই। এমন অভিযোগের কোনো শেষ থাকে না। আমি যদি এখন ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ জয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করি! এটা কি খুব ভালো রুচির পরিচয় হবে? সুতরাং এসব নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়। তার মতো একজন ব্যক্তিত্ব এ ধরনের অভিযোগ তুলছে, এটা খুবই হতাশাজনক।’
এ ব্যাপারে বার্তা সংস্থা পিটিআইকে কিছু বলতে রাজি হননি ২০১১ সালে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম সদস্য হরভজন সিং।
২০১১ বিশ্বকাপ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ এটিই প্রথম নয় রানাতুঙ্গার। তিনি বেশ কয়েকবারই ম্যাচটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, একবার বলেছিলেন, ফাইনালের মতো একটা মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থেকে চোটের নাম করে শ্রীলঙ্কার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় কীভাবে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারেন, সন্দেহটা নাকি তৈরি হয় সেখান থেকেই।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY