র‍্যাঙ্কিংয়ের ইঁদুর-বিড়াল খেলায় সাকিব

র‍্যাঙ্কিংয়ের ইঁদুর-বিড়াল খেলায় সাকিব

67
0
SHARE

মার্চে আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর অলরাউন্ডারের জায়গাটা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কাছে হারাতে হয়েছিল সাকিব আল হাসানকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের শততম টেস্টে দুর্দান্ত খেলে হারানো রাজ্য পুনরুদ্ধার করেছিলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। চার মাস পর কাল আবারও জায়গাটা হারিয়েছেন সাকিব, এবার সেটি অশ্বিন-সতীর্থ রবীন্দ্র জাদেজার কাছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ের ইঁদুর-বিড়াল খেলায় শীর্ষস্থানে ওঠা কিংবা নামা সাকিবের কাছে নতুন নয়। টেস্ট অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিং নিয়ে ইদানীং এই অভিজ্ঞতা বেশি হচ্ছে সাকিবের। কখনো উঠছেন, কখনো নামছেন। কেন? এর একটা বড় কারণ, বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে খুবই অনিয়মিত একটি দল।
টেস্ট অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিব প্রথম শীর্ষে উঠেছিলেন ২০১১ সালের ডিসেম্বরে। যাঁকে সরিয়ে শীর্ষে উঠেছিলেন, সেই জ্যাক ক্যালিস শীর্ষে ছিলেন ১০ বছরেরও বেশি সময়। সময়ের হিসাবে অবশ্য ক্যালিস (৩৬৯৬ দিন) অনেকটাই পিছিয়ে। শীর্ষ তিন—ওয়ালি হ্যামন্ড (৫০৬৭ দিন), সোবার্স (৪৪২৫ দিন), অব্রে ফকনার (৪২৭৭ দিন)। হ্যামন্ড-সোবার্সদের সময় র‌্যাঙ্কিং প্রথারই চল ছিল না। তবে র‌্যাঙ্কিংয়ের বর্তমান নিয়ম অনুসরণ করে পেছনে ফিরে গিয়ে চিরায়ত একটা র‍্যাঙ্কিং বানিয়েছে আইসিসি। তাতে অতীতের মহানায়কেরা কারা কখন শীর্ষে ছিলেন, তা জানা যায়।
সাকিব এক নম্বর জায়গাটিতে এক বছরের মতো ছিলেন। তারপর ২০১২ সালের নভেম্বরে হারালেন এক নম্বর স্থান। ২০১৩ সালের অক্টোবরে আবারও নিজের অধিকারে নিলেন হারানো রাজ্য। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নেমে গেলেন দুইয়ে। ওই বছরের নভেম্বরে পুনরুদ্ধার করলেন হারানো জায়গা। গত বছর অক্টোবরে আবারও সাকিব হারান শীর্ষস্থান।
এ বছর মার্চের শুরুতে এক নম্বর অলরাউন্ডারের জায়গাটা ফিরে পেলেও পড়ে পাওয়া রাজত্বটা অবশ্য পাঁচ দিন পরেই ফেরত দিতে হয় রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। সেই রাজ্যই আবার দখলে নেন মার্চের শেষ সপ্তাহে, যেটি হাতছাড়া হয়েছে আজ।
২০০৭ সালে টেস্ট অভিষেকের পর গত ১০ বছরে ৪৯টি টেস্ট খেলেছেন সাকিব। বছরে ৫টি করে টেস্ট খেলেছেন গড়ে। ৫০তম টেস্টের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সাকিব অবশ্য কদিন আগে দাবি করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে ভাবেনইনি ৫০টা টেস্ট খেলতে পারবেন। এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ তাঁর নেই।
তবে সাকিব-ভক্তদের আক্ষেপ থাকলেও থাকতে পারে। টেস্টে ৩৪৭৯ রান ও ১৭৬ উইকেটের রেকর্ডটা আরও ঝলমলে দেখাত, আরও বেশি টেস্ট যদি খেলতে পারতেন সাকিব। সূত্র: রিলায়েন্স আইসিসি র‍্যাঙ্কিং, ক্রিকইনফো।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY