Home Bangladesh আরো ২ মামলায় ইরফান সেলিমের রিমান্ডের শুনানি পিছিয়েছে

আরো ২ মামলায় ইরফান সেলিমের রিমান্ডের শুনানি পিছিয়েছে

111
0

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার মামলায় বরখাস্ত হওয়া কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিমকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনের পৃথক দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের রিমান্ডের আবেদনের ওপর শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বর এই দুটি মামলার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

একইসঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনের পৃথক দুটি মামলায় ইরফান সেলিমের সহযোগী মো. জাহিদকেও ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেছিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা। সেটিও আজ শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এখন এই দুটি মামলার শুনানিও আগামী ৮ নভেম্বর ইরফান সেলিমের দুটি মামলার সঙ্গে হবে।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. শওকত আকবর দুপুরে জানিয়েছেন, আজ সোমবার দুই আসামিকে চারটি পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এখন আসামিরা অন্য একটি মামলায় রিমান্ডে আছেন। ফলে আজ তাঁদের আদালতে হাজির করা হয়নি।

এজন্য আগামী ৮ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে অস্ত্র মামলার এবং আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান চৌধুরীর আদালতে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন দুই আসামিকে চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ মোট ২৮ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। প্রত্যেক আসামিকে প্রতিটি মামলায় সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

গত ২৫ অক্টোবর রাতে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরের দিন ২৬ অক্টোবর সকালে জাতীয় সংসদের সদস্য হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম, এ বি সিদ্দিক দিপু, মো. জাহিদ ও মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো দু-তিনজনকে আসামি করে ধানমণ্ডি থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ওয়াসিফ আহমদ খান।

ওই দিন দুপুর থেকে র‍্যাব সদস্যরা রাজধানীর চকবাজারের ২৬ দেবীদাস ঘাট লেনে ‘চাঁন সরদার দাদা বাড়ী’-তে অভিযান চালান। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অভিযান শেষে অবৈধ ওয়াকিটকি ও মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী মো. জাহিদকে এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর রাতে দুজনকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় গত ২৬ অক্টোবর গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে এক দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। একই মামলায় গত ২৭ অক্টোবর ইরফানের সহযোগী আসামি দিপুকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ইরফান ও জাহিদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। সে রিমান্ড শেষ হলে গত রোববার পুনরায় দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here