গাজা উপত্যকায় ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি দ্রুত চুক্তি সম্পাদনের আশায় কাজ করে যাচ্ছে মিশর ও কাতার। রোববার এই দুটি মধ্যস্থতাকারী দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে এমন প্রত্যাশার কথা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গাজার সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান মধ্যস্থতামূলক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা উচিত। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে যুদ্ধপীড়িত এলাকায় স্থিতিশীলতা ও শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
মিশর ও কাতার জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের প্রস্তাবের আলোকে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে কাজ করছে। দুই পক্ষের মতপার্থক্য কমিয়ে আনা ও বিতর্কিত বিষয়গুলো সমাধানে তারা নিবিড়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরোক্ষ আলোচনা আবার শুরু করা যায়।
তারা আরও বলেছে, যত দ্রুত সম্ভব ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, যা পরবর্তীতে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে সহায়ক হবে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই পদক্ষেপ মানবিক সংকট প্রশমনে সহায়তা করবে, সীমান্ত পারাপার সহজ করবে এবং গাজার জনগণের জন্য ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা প্রবেশের পথ তৈরি করবে।
মধ্যস্থতাকারী দেশ দুটি জানিয়েছে, গত ৪ মার্চ কায়রোতে অনুষ্ঠিত জরুরি আরব সম্মেলনে গৃহীত পরিকল্পনা অনুসারে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং গাজার পুনর্গঠন শুরু করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, স্টিভ উইটকফের প্রস্তাবের বিষয়ে হামাসের প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে, তারা এখনো পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি, যদিও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করছেন হামাস পরাজয়ের খুব কাছাকাছি।
হামাস উইটকফের প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বললেও, উইটকফ এ প্রতিক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছেন।







