সম্প্রতি চীনের হাংঝু শহরে অফিস এলাকায় সময় কাটাচ্ছিলেন বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের তরুণী সাইকা সুবহা তান্নু। তিনি মায়ের সঙ্গে চীনে বসবাস করতেন এবং চাকরি করতেন। তবে তার মন অন্যত্র আকৃষ্ট ছিল—বাংলাদেশের কন্টেন্ট নির্মাতা হিরো আলমের প্রতি। এই টানেই তিনি দীর্ঘ পথ পেরিয়ে দেশে ফিরে আসেন, হিরো আলমের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
এর আগে, হিরো আলম তৃতীয় স্ত্রী রিয়ামনির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন কনটেন্ট পার্টনার খুঁজছিলেন। সেই খোঁজ এবার থামে চীনে কর্মরত তান্নুর কাছে। পাসপোর্ট, ভিসা এবং মনের সহায়তায় তিনি ঢাকায় এসে হিরো আলমের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন।
তান্নু জানিয়েছেন, শোবিজের প্রতি আগ্রহ ছিল, কাজের ফাঁকে ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতেন। হিরো আলমের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর সাহস পেয়েছেন এবং দেশে ফিরে এসেছেন। তবে ভিসা থাকার কারণে তিনি ফেরত যাওয়ার পথও খোলা রেখেছেন, যদি কোনো কারণবশত কাজ এগোতে না পারে।
হিরো আলমও এ ব্যাপারে বেশ উচ্ছ্বাসিত। তিনি বলেন, ‘আমরা চাইনিজ ভাষার গানে একসঙ্গে মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছি, যা খুব শিগগিরই দর্শক দেখতে পাবেন। তান্নুর আগ্রহ দেখে ভালো লাগছে, কাজ শুরু করেছি, দেখি কোথায় পৌঁছে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘চীনে চাকরি ছেড়ে একটা মেয়ে আমার সঙ্গে কাজ করতে এসেছে, এটা আমার জন্য খুব বড় ব্যাপার। এটা আমার সুপারহিরো হওয়ার মতো ঘটনা।’
অন্যদিকে, তৃতীয় স্ত্রী রিয়ামনির কাহিনি একই সাথে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে। হিরো আলমের পিতার মৃত্যুর সময় পাশে না থাকার কারণে রিয়ামনি সম্পর্ক ছিন্ন করেন। শোনা যায়, সে সময় রিয়ামনি তার পার্টনার ম্যাক্স রবির সঙ্গে প্রেম এবং মিউজিক ভিডিওয় ব্যস্ত ছিলেন। এখন তান্নু হিরো আলমের নতুন কনটেন্ট পার্টনার হিসেবে মাঠে নামছেন।
ক্যামেরা চালু, স্ক্রিপ্ট প্রস্তুত—বাংলাদেশি কনটেন্ট জগতে এখন একটাই প্রশ্ন, শেষমেশ ক্লাইম্যাক্স কোথায় পৌঁছাবে!







