পাকিস্তানের তরফ থেকে হামলার পর জম্মু শহরে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ হামলার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেনের আওয়াজ শোনা যায়, যা শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে। একদিকে, পাকিস্তানি হামলার কারণে জম্মুতে ব্ল্যাকআউটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।
জম্মু শহরের বিভিন্ন অংশে পাকিস্তানের হামলার পর সাইরেনের আওয়াজ থামছিল না, এবং শহরের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়, ফলে একধরনের অন্ধকার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের দিকে এই হামলার তীব্রতা বেড়ে যায়, যার ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। শহরের ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ছিল, যেখানে সাইরেনের আওয়াজ আর অন্ধকারে ভরা রাস্তাগুলি মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
পাকিস্তান থেকে হামলার পর জম্মুর নিরাপত্তা বাহিনীগুলি একযোগে শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। জম্মু এবং কাশ্মীর পুলিশ তাদের সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। নিরাপত্তা বাহিনী শহরবাসীকে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
এ হামলার পর আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের এই কর্মকাণ্ডকে একটি উস্কানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই হামলার নিন্দা জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে এই ধরনের হামলা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এই ঘটনার পর সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থনও অপরিহার্য হতে পারে।
এখনো অবধি, পাকিস্তান বা ভারত পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। তবে জম্মু শহরের বাসিন্দারা এখনও নিরাপত্তার জন্য সরকার এবং বাহিনীর প্রতি আস্থা রেখেছেন, যদিও তারা সাইরেনের আওয়াজ এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।







