রাজধানীর মহাখালীতে যুবদল নেতা মনির হোসেন ভিআইপি রুম না পাওয়ায় এক মদের বারে ভাঙচুর চালান এবং নারীদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় যুবদল তাকে সংগঠনের সব পদ থেকে অব্যাহতি ও প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিল করে, এবং নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া, বিএনপি তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে, কারণ সম্প্রতি দলের কিছু নেতাকর্মী বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ায় বিএনপির ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। দলটি শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে এবং অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে দলটির অবস্থান একদম স্পষ্ট, এবং অপরাধ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ৪-৫ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি আরও কঠোর অবস্থানে থাকবেন এবং অপরাধে জড়িত কোনো নেতাকর্মীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তার নির্দেশে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী নেতাদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং দলে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে নানা জায়গায় দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন এবং পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, ৯ মাসে ৫ হাজারের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।







