ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে প্রতীকী ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও প্রতিবাদ চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে এই আয়োজনে ছিল সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।
ভোলা:
জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতীকী ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান। শহীদ ও আহত পরিবারের অর্ধশতাধিক সদস্য অংশ নেন।
খাগড়াছড়ি:
জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় আয়োজন করা হয় ম্যারাথন। চেঙ্গী স্কয়ার থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় স্টেডিয়ামে। পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা উদ্বোধন করেন। তিন শতাধিক অংশগ্রহণকারী ছিলেন।
টাঙ্গাইল:
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন ডিসি শরীফা হক। মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ম্যারাথন শেষ হয়। অংশ নেন শহীদ পরিবার, আন্দোলনকারী, কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষসহ পাঁচ শতাধিক মানুষ।
জয়পুরহাট:
জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে পাঁচ কিলোমিটার দৌড় অনুষ্ঠিত হয়। ডিসি আফরোজা আক্তার চৌধুরী উদ্বোধন করেন।
সিরাজগঞ্জ:
যমুনা নদীর তীরে আয়োজিত তিন কিলোমিটার ম্যারাথনে শহীদ পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র ও মানবাধিকার কর্মীরা অংশ নেন। ডিসি নজরুল ইসলাম উদ্বোধন করেন।
ফরিদপুর:
জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে রাজবাড়ী মোড় পর্যন্ত ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
বান্দরবান:
মেঘলা পর্যটন এলাকা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার ম্যারাথনে নারী-পুরুষ উভয়ই অংশ নেন। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ডিসি শামীম আরা রিনি।
ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী:
উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত ম্যারাথনে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জনসাধারণ অংশ নেন। পটুয়াখালীতে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘জুলাই ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত হয়।
এই প্রতীকী ম্যারাথনের মধ্য দিয়ে শহীদদের স্মরণ, প্রতিবাদ চেতনার চর্চা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি নতুন প্রজন্মের সংবেদনশীলতা প্রকাশ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন আয়োজকরা।







