গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে যে, যদি যুদ্ধ বন্ধ না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করতে পারে ।
সম্প্রতি ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য সফরে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেলেও ইসরায়েলকে সফর থেকে বাদ দেন। এই সিদ্ধান্তকে ইসরায়েলের প্রতি একটি শক্ত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রতিনিধিরা ইসরায়েলকে জানিয়েছেন, যদি তারা গাজা যুদ্ধ বন্ধ না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে না ।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ না করলে এবং গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি না দিলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে । এই দেশগুলো ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডকে “অসহনীয়” বলে অভিহিত করেছে এবং অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজায় সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষ একটি “রেড লাইন”। তিনি স্বীকার করেছেন যে, মিত্রদের চাপের কারণে ইসরায়েল গাজায় সীমিত পরিমাণে মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে ।
গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের কারণে ইসরায়েল আন্তর্জাতিকভাবে চাপে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র দেশগুলোর সমর্থন হারানোর আশঙ্কায় ইসরায়েল কিছুটা নমনীয়তা দেখাতে বাধ্য হয়েছে। তবে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, এবং আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে।







