ঢাকা–১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি একজন পান বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলেন এবং কথোপকথনের শেষে তাঁকে এক হাজার টাকার একটি নোট হাতে তুলে দেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, স্টলে দাঁড়িয়ে শাহরিয়ার কবির ওই বয়স্ক দোকানদারকে ব্যবসার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করেন। দোকানদার জানান, দেশের পরিবেশ ভালো না থাকায় লোকজন আতঙ্কে, তাই বিক্রি কম। এ সময় শাহরিয়ার ধর্মীয় দৃষ্টান্ত টেনে বলেন, “রিজিকের মালিক আল্লাহ—তাহলে তাঁর নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে দেশ চললে কি ভালো হবে?” কথোপকথনের পরই তিনি দোকানদারের হাতে টাকা গুঁজে দিয়ে চলে যান।
এই দৃশ্য ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এটি কি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল?
প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির একটি গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি সদিচ্ছা থেকে করা। তিনি বলেন, “ওই দোকানদার বলছিলেন সারাদিনে কোনো বিক্রি হয়নি। মানবিক কারণে আমি তাঁকে সাহায্য করেছি। এটা ক্যামেরার সামনেই হয়েছে; আর আমি সেখানে ভোট চাইনি। ওই ব্যক্তির আগে-পরে আমি কয়েকজন শিশুকে খেলনা কিনে দেওয়ার জন্যও টাকা দিয়েছি।”
তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী বলা আছে—প্রার্থী নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রকাশ্যে বা গোপনে অনুদান বা আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে পারবেন না কিংবা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না।
আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখন সামাজিকমাধ্যমে তীব্র আলোচনা চলছে।







