নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আগের ব্যর্থতা কাটিয়ে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন হলো একসময় ‘লাইনচ্যুত’ হয়ে পড়া নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আবার সঠিক পথে ফেরানোর বড় সুযোগ।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (AFED)-এর একটি প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৮১টি সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “এই নির্বাচনকে যদি রূপকের মাধ্যমে বলি, এটি একটি লাইনচ্যুত ট্রেনকে আবার লাইনে তুলে চালু করার মতো। যন্ত্রাংশ মেরামত ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে এটিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। সেটাই হবে প্রথম বড় অর্জন।”
তিনি আরও বলেন, কমিশনের কাজে নিরপেক্ষ ও মানসম্মত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। পর্যবেক্ষকদের তিনি কমিশনের ‘তৃতীয় নয়ন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং তাদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন, তবে সেটি হবে নীতিমালার ভেতরে থেকে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারসন তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত সবার মধ্যেই নির্বাচনকে ঘিরে একটি গ্রহণযোগ্য পরিবেশ গঠনের প্রত্যাশা প্রকাশ পায়।নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আগের ব্যর্থতা কাটিয়ে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন হলো একসময় ‘লাইনচ্যুত’ হয়ে পড়া নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আবার সঠিক পথে ফেরানোর বড় সুযোগ।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (AFED)-এর একটি প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৮১টি সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “এই নির্বাচনকে যদি রূপকের মাধ্যমে বলি, এটি একটি লাইনচ্যুত ট্রেনকে আবার লাইনে তুলে চালু করার মতো। যন্ত্রাংশ মেরামত ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে এটিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। সেটাই হবে প্রথম বড় অর্জন।”
তিনি আরও বলেন, কমিশনের কাজে নিরপেক্ষ ও মানসম্মত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। পর্যবেক্ষকদের তিনি কমিশনের ‘তৃতীয় নয়ন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং তাদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন, তবে সেটি হবে নীতিমালার ভেতরে থেকে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারসন তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত সবার মধ্যেই নির্বাচনকে ঘিরে একটি গ্রহণযোগ্য পরিবেশ গঠনের প্রত্যাশা প্রকাশ পায়।







