মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একাধিক ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল বা বহিষ্কারের ইঙ্গিত দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি ইলন মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের সম্ভাবনা পর্যালোচনার কথা বলেছেন, জোহরান মামদানিকে গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের হুমকি দিয়েছেন, এবং কৌতুক অভিনেত্রী রোসি ও’ডোনেলের নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়টি “গভীরভাবে বিবেচনা করছেন” বলে মন্তব্য করেছেন।
এই সব বক্তব্য এসেছে এমন সময়, যখন ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিলের (ডিন্যাচারালাইজেশন) বিষয়টিকে নতুন করে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতিমালায় কাজ করছে।
ইলন মাস্ক দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নিয়ে ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হন। মামদানি জন্মগ্রহণ করেন উগান্ডায় এবং ২০১৮ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন। দু’জনই স্বাভাবিকভাবে নাগরিকত্ব প্রাপ্ত (naturalized citizen)। ও’ডোনেল বর্তমানে আয়ারল্যান্ডে অবস্থান করছেন এবং আইরিশ নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।
মামদানি বলেছেন, ট্রাম্পের মন্তব্য মূলত তার পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং তার আদর্শিক অবস্থানের প্রতি প্রতিক্রিয়া। তিনি নিজেকে নিউইয়র্কের সম্ভাব্য প্রথম অভিবাসী, মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় মেয়র প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করেন।
ও’ডোনেল ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “আমার নাগরিকত্ব বাতিল করতে চাও? চেষ্টা করে দেখো। আমাকে চুপ করানোর অধিকার তোমার নেই—আর কোনো দিন ছিলও না।”
এমন মন্তব্যগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক বিরোধীদের প্রতি কঠোর অবস্থান এবং অভিবাসন নীতির নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।







