SBT Capital
Home খেলা ‘মেসি এলেন, আমরা হয়ে উঠলাম এমএলএস-এর রিয়াল মাদ্রিদ’

‘মেসি এলেন, আমরা হয়ে উঠলাম এমএলএস-এর রিয়াল মাদ্রিদ’

0
238

একসময় যে দলটির খোঁজ রাখত না কেউ, সেই দলই রাতারাতি পরিণত হলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই রূপকথার নায়ক একজনই—লিওনেল মেসি।আর সেই রূপান্তরের প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন ভেনেজুয়েলার তারকা ফরোয়ার্ড জোসেফ মার্তিনেজ, যিনি এক মৌসুম ইন্টার মায়ামিতে মেসির সতীর্থ ছিলেন।

বর্তমানে সান হোসে আর্থকোয়েকসের হয়ে খেলা মার্তিনেজ সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে ফিরে দেখেছেন সেই জাদুকরী সময়টিকে। তার কথায়, “আমরা ছিলাম এমন এক দল, যাদের কেউ চিনত না। এমনকি ইনস্টাগ্রামেও আমাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। হঠাৎ একদিন দেখি—হাজার সাংবাদিক এসে হাজির! মেসি আসার আগপর্যন্ত আমরা যেন অদৃশ্য। আর এরপরই হয়ে উঠলাম এমএলএস-এর রিয়াল মাদ্রিদ। ”

তারকাদের মধ্যে তারকা, কিন্তু মানুষ হিসেবে একেবারে ‘সাধারণ’

মেসির আচরণ নিয়ে আলাদা করে কথা বলেছেন মার্তিনেজ। বিশ্বজয়ী মহাতারকার মাঝে কোনো আভিজাত্য বা দূরত্বের প্রাচীর পাননি তিনি।

“মেসিকে ড্রেসিংরুমে প্রথম দেখে মনে হয়েছিল—এই মানুষটিই পৃথিবীর সবচেয়ে সাধারণ মানুষ। কোনো অহংকার নেই, কোনো দূরত্ব নেই। আমরা ভাবতাম, একজন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কেমন হবে। কিন্তু মেসি ছিলেন আমাদের মতোই। এই সাধারণতা তাকে অসাধারণ করে তোলে। ”

নেতৃত্বে আলো, ছায়া নয়

মেসির উপস্থিতি কেবল মায়ামির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে এমনটা নয়—তার নেতৃত্ব সতীর্থদের মধ্যেও এনে দিয়েছিল আস্থা ও আত্মবিশ্বাস।

“টেইলর নামে এক খেলোয়াড় আগে গোল করার চিন্তাও করতে পারত না। কিন্তু মেসি আসার পর যেন ওকে কেউ বদলে দিল! যেসব খেলোয়াড় ঠিকভাবে পাস দিতেও পারত না, তারাও উন্নতি করতে লাগল। এমনকি ঈশ্বরও তখন আমাদের দেখতে লাগলেন!”—মার্তিনেজ যোগ করেন একরাশ হাসি নিয়ে।

এক মৌসুমে ইতিহাস

ইন্টার মায়ামির হয়ে জোসেফ মার্তিনেজ খেলেছেন ৪০টি ম্যাচ, করেছেন ১২টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, তিনি দলকে এনে দিয়েছেন লিগস কাপ—ইন্টার মায়ামির ইতিহাসের প্রথম ট্রফি। সেই সময়কার পারিশ্রমিকে তিনি ছিলেন দলের অন্যতম সর্বোচ্চ আয়কারী, বছরে ৪.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here