সিরিয়ায় সম্প্রতি নতুন করে সহিংসতা শুরু হয়েছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়। ইসলাম থেকে আলাদা পথে চলা এই গোষ্ঠীর ওপর বেদুইন সুন্নি যোদ্ধা ও সরকারপন্থী বাহিনীর আক্রমণের জবাবে তাদের নিজস্ব মিলিশিয়া প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এর মধ্যেই ইসরায়েল সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে, দাবি করে তারা দ্রুজদের সুরক্ষায় অভিযান চালাচ্ছে।
১৩ জুলাই দক্ষিণ সিরিয়ায় এক দ্রুজ ব্যবসায়ীর অপহরণ থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩৫০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সরকারপন্থী বাহিনীর ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলার পাশাপাশি রাজধানী দামেস্কেও আঘাত হানে, যা ২০২৪ সালের পর দেশটিতে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক পদক্ষেপ।
এদিকে দ্রুজদের নিজস্ব আত্মরক্ষামূলক শক্তি গড়ে ওঠার পাশাপাশি সরকারের ওপর তাদের আস্থার অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নতুন ইসলামপন্থী সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।
ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে কিছু আরব দেশ ও আন্তর্জাতিক মহল ‘আগ্রাসন’ এবং ‘উসকানিমূলক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। জাতিসংঘ, তুরস্ক এবং সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ এর নিন্দা জানিয়েছে।
এই ঘটনাগুলো শুধু সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা নয়, বরং আঞ্চলিক শক্তির দ্বন্দ্ব, ধর্মীয় বিভাজন এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার গভীর সংকেত বহন করছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নতুন করে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।







