আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বছরের বাজেট থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা কম। এবারে বাজেটে বেশ কিছু পণ্যে উৎসে কর, আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব রয়েছে, যার ফলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
দাম কমার সম্ভাব্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- এলএনজি: আমদানিতে বিদ্যমান ১৫% ভ্যাট কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
- জ্বালানি তেল: ক্রড ফুয়েল অয়েলের শুল্ক ৫% থেকে ১% এবং অন্যান্য জ্বালানি আমদানির শুল্ক ১০% থেকে ৩% কমানো হতে পারে।
- কৃষি ও নিত্যপণ্য: ধান, ধানের কুড়া, চাল, গম, আলু, গবাদি পশু, মাছ, মাংস, পিঁয়াজ, রসুন, মটর, ছোলা, মসুর, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ডাল, ভুট্টা, আটা, ময়দা, লবণ, ভোজ্যতেল, চিনি, বীজ, পাটকাঠি, সরিষা, তিল, কাঁচা চা-পাতা, গোলমরিচ, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা, পাট ইত্যাদি। এ পণ্যে উৎসে কর ১% থেকে কমিয়ে ০.৫% করার প্রস্তাব রয়েছে, ফলে দাম কমতে পারে।
- চামড়া শিল্পের রাসায়নিক উপকরণ: শুল্ক ৫% থেকে ১% কমানো হতে পারে।
- ভূমি নিবন্ধন: কর কমানোর প্রস্তাব থাকায় নিবন্ধন খরচ কমবে।
- চিনি: আমদানিতে শুল্ক কমতে পারে।
- ওষুধ: বিশেষ করে ক্যান্সার, কিডনি ও রক্তনালীর ওষুধের কাঁচামাল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের শুল্ক কমানো হতে পারে, ৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- খেলনা ও ক্রিকেট ব্যাট তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল: শুল্ক কমানো হতে পারে, যেমন ফিনিশড টয় প্রতি কেজিতে চার ডলার থেকে কমানো এবং উইলো কাঠের শুল্ক ৩৭% থেকে ২৬% নামানো।
- সফটওয়্যার: ডেভেলপমেন্ট টুলস, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেজ ও সিকিউরিটি সফটওয়্যারের আমদানি শুল্ক ১০% থেকে ৫% কমানোর প্রস্তাব।
- নন-অ্যালকোহলিক জুস: আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ১৫০% থেকে কমিয়ে ১০০% করার প্রস্তাব, ফলে বিদেশি জুসের দাম কমতে পারে।
এছাড়া বাজেটের আকার কমলেও পরিচালন খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে, তবে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। মূলত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারি ব্যয় সংকুচিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আসন্ন বাজেট ঘোষণা করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ২ জুন বিকেল ৩টায় রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হবে।
আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বছরের বাজেট থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা কম। এবারে বাজেটে বেশ কিছু পণ্যে উৎসে কর, আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব রয়েছে, যার ফলে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
দাম কমার সম্ভাব্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- এলএনজি: আমদানিতে বিদ্যমান ১৫% ভ্যাট কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
- জ্বালানি তেল: ক্রড ফুয়েল অয়েলের শুল্ক ৫% থেকে ১% এবং অন্যান্য জ্বালানি আমদানির শুল্ক ১০% থেকে ৩% কমানো হতে পারে।
- কৃষি ও নিত্যপণ্য: ধান, ধানের কুড়া, চাল, গম, আলু, গবাদি পশু, মাছ, মাংস, পিঁয়াজ, রসুন, মটর, ছোলা, মসুর, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, ডাল, ভুট্টা, আটা, ময়দা, লবণ, ভোজ্যতেল, চিনি, বীজ, পাটকাঠি, সরিষা, তিল, কাঁচা চা-পাতা, গোলমরিচ, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা, পাট ইত্যাদি। এ পণ্যে উৎসে কর ১% থেকে কমিয়ে ০.৫% করার প্রস্তাব রয়েছে, ফলে দাম কমতে পারে।
- চামড়া শিল্পের রাসায়নিক উপকরণ: শুল্ক ৫% থেকে ১% কমানো হতে পারে।
- ভূমি নিবন্ধন: কর কমানোর প্রস্তাব থাকায় নিবন্ধন খরচ কমবে।
- চিনি: আমদানিতে শুল্ক কমতে পারে।
- ওষুধ: বিশেষ করে ক্যান্সার, কিডনি ও রক্তনালীর ওষুধের কাঁচামাল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের শুল্ক কমানো হতে পারে, ৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- খেলনা ও ক্রিকেট ব্যাট তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল: শুল্ক কমানো হতে পারে, যেমন ফিনিশড টয় প্রতি কেজিতে চার ডলার থেকে কমানো এবং উইলো কাঠের শুল্ক ৩৭% থেকে ২৬% নামানো।
- সফটওয়্যার: ডেভেলপমেন্ট টুলস, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেজ ও সিকিউরিটি সফটওয়্যারের আমদানি শুল্ক ১০% থেকে ৫% কমানোর প্রস্তাব।
- নন-অ্যালকোহলিক জুস: আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ১৫০% থেকে কমিয়ে ১০০% করার প্রস্তাব, ফলে বিদেশি জুসের দাম কমতে পারে।
এছাড়া বাজেটের আকার কমলেও পরিচালন খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে, তবে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। মূলত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারি ব্যয় সংকুচিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আসন্ন বাজেট ঘোষণা করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ২ জুন বিকেল ৩টায় রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হবে।







