এত্ত বড় হীরা!

কানাডার এক খনিতে দুর্লভ হীরকখণ্ডের সন্ধান মিলেছে। গত শুক্রবার পাওয়া ৫৫২ ক্যারেটের ওই হীরকখণ্ডটি আকারে অনেকটা মুরগির ডিমের মতো। দেশটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের দিয়াভিক খনিতে এর সন্ধান মিলেছে। ডোমিনিয়ান ডায়মন্ড মাইন রিও টিনটো গ্রুপের বিশেষজ্ঞরা খনি থেকে এটি উত্তোলন করেছেন। কানাডার ইতিহাসে এ পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া হীরকখণ্ডের মধ্যে ১ দশমিক ২ ইঞ্চির এই হীরাটিই সবচেয়ে বড়।

উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় হীরাটি পেয়েছে ডোমিনিয়ান ডায়মন্ড মাইন রিও টিনটো গ্রুপ। ছবি: সংগৃহীতউত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় হীরাটি পেয়েছে ডোমিনিয়ান ডায়মন্ড মাইন রিও টিনটো গ্রুপ। ছবি: সংগৃহীত

সিএনএন ও নিউজ উইকের খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার পাওয়া হলুদ রঙের হীরাটি অত্যন্ত উঁচুমানের। এ শতকে পাওয়া সপ্তম বৃহৎ হীরা এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ৩০টি হীরার মধ্যে এটি অন্যতম। সাধারণত আফ্রিকার খনিগুলোতে এমন ধরনের হীরা পাওয়া যায়। এর আগে কানাডার খনি থেকে সবচেয়ে বড় যে হীরা পাওয়া গিয়েছিল, নতুন হীরকখণ্ডটি তার প্রায় তিনগুণ। এই পাথরটি কাটা ও তার রুক্ষতা কমিয়ে পলিশ করার জন্য শিগগির নিলাম হাঁকা হবে বলে জানিয়েছে রিও টিনটো গ্রুপ।কানাডার খনিতে ৫৫২ ক্যারেটের হলুদ রঙের হীরাটি পাওয়া গেছে। ছবি: সংগৃহীতকানাডার খনিতে ৫৫২ ক্যারেটের হলুদ রঙের হীরাটি পাওয়া গেছে। ছবি: সংগৃহীত

বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনার মতো হলুদ রঙের দুষ্প্রাপ্য হীরকখণ্ডটি দামের দিক থেকেও দুর্মূল্য। সাধারণত আমেরিকার নানা খনিতে মেলা হলুদ রঙের পাথরগুলোর (টাইপ টুএ) মাথাটি সাদা হয়। সেগুলোর দাম ধার্য হয় কিছুটা ছাড় দেওয়ার পর। তবে এই বিশেষ খণ্ডটির ক্ষেত্রে এমন কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।কানাডায় পাওয়া হীরাটি খুবই উন্নতমানের। ছবি: সংগৃহীতকানাডায় পাওয়া হীরাটি খুবই উন্নতমানের।

Add Comment